
বাংলাদেশের জনপ্রিয় মাছ ইলিশের বাজারে অস্থিরতা ক্রমেই বাড়ছে। দেশে আহরিত ইলিশের ৯৯ শতাংশ স্থানীয় বাজারেই বিক্রি হলেও প্রতি বছর লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে দাম। অথচ সামগ্রিক উৎপাদনে বড় ধরনের কোনো ঘাটতি নেই।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মাত্র আট বছরে ইলিশের কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে গড়ে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশে ইলিশ আহরণ হয়েছে ৫ লাখ ২৯ হাজার টন। আগের অর্থবছরে এই পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৭১ হাজার টন। অর্থাৎ, সামান্য পরিমাণে আহরণ কমলেও চাহিদার তুলনায় সরবরাহে বড় কোনো সংকট নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবুও বাজারে ইলিশের দাম নিয়ন্ত্রণে থাকছে না। অনেকেই বলছেন, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে ইচ্ছাকৃতভাবে দাম বাড়ানো হচ্ছে। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় উপপরিচালক মো. ফয়েজ উল্যাহ বলেন,
> “বাজারে বেশি দামে মাছ বিক্রির অভিযোগ আমরা পেয়েছি। খুব শিগগিরই আড়ত ও বাজার ঘুরে দেখব—কি দামে কিনছে আর কি দামে বিক্রিম করছে, তা যাচাই করব।”
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইলিশের বাজারে স্বচ্ছতা এবং কঠোর মনিটরিং ব্যবস্থা চালু না হলে এই অস্থিরতা সহজে কমবে না। ভোক্তারা যাতে সঠিক মূল্যে মাছ কিনতে পারেন, সেজন্য বাজার ব্যবস্থাপনায় নজরদারি আরও জোরদার করার দাবি জানানো হচ্ছে।
মন্তব্য করুন