অসাধু সার ডিলারদের তৎপরতায় বিপাকে পড়েছেন পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষকেরা। টাকা দিয়েও চাহিদামতো সার পাচ্ছেন না সঠিক সময়ে। সরকার সারের মূল্য নির্ধারন করে দিলেও তা মানছেন না সার ব্যবসায়ীরা। কৃষকেরা ‘সার সিন্ডিকেটের’ হাতে জিম্মি হলেও কেউ কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠছে।
উপজেলার চিলাহাটি ইউনিয়নের গিয়ে দেখা যায় সারের সরকারি মূল্য হচ্ছে, প্রতি বস্তা ইউরিয়া ও টিএসপি ১ হাজার ৩৫০ টাকা, এমওপি ১ হাজার ও ডিএপি ১ হাজার ৫০ টাকা। কিন্তু কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে বস্তা প্রতি ২০০ থেকে ৭০০ টাকা বেশি বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ জানায় স্থানীয় কৃষকরা
এদিকে গতকাল রবিবার (২৭ জুলাই) ভাউলাগঞ্জ টোকরাভাসা বাজারে সার বহনকারী একটি অটো ভ্যান আটক করে রাখে স্থানীয় এলাকাবাসী। ভ্যান চালকের সাথে কথা বলে জানা যায়, মেসার্স রাজিয়া টেডার্সের দোকানের রশিদে টিএসপি, এ্যামোপি ও ইউরিয়া সার নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল প্বার্শবর্তী উপজেলা বোদায়। যার সরকারি ডিলার শীপ এর তত্ত্বাবধানে রয়েছেন নয়ন সরকার।
এ নিয়ে কয়েকজন কৃষক বলেন, এখানে সারের অবস্থা খুবই খারাপ। টাকা দিয়েও সার মিলছে না। আর কখনো সার পাওয়া গেলেও নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। রবিশস্য আবাদে সার পাওয়া যাচ্ছে না। বস্তাপ্রতি ২০০, ৫০০ কিংবা ৭০০ টাকা বেশি রাখা হচ্ছে। সার স্টকে না থাকলে কোথা থেকে বের হচ্ছে এসব সার।
সার সিন্ডিকেট নিয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাঈম মোর্শেদ জানান, সাধারণ কৃষকদের হয়রানি করে যেসব ডিলার এই সব সিন্ডিকেট করছে সে সব ডিলারদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত প্রমান মিললে ডিলারদের সার ডিলারশিপ বাতিল করা হবে।
তবে এবিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন চিলাহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ।
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: আজহারুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ইব্রাহিমপুর, মিরপুর, ঢাকা-১২১০। আঞ্চলিক কার্যালয়: উকিলের মোড়, কলেজ স্টেশন রোড়, নীলফামারী।