
নির্বাচনের সময়সীমা ঘোষণা করলেও ফেব্রুয়ারিতে ভোট অনুষ্ঠিত হবে কি না, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী দাবি করেছেন, নির্ধারিত সময়ে ভোট হওয়ার সম্ভাবনা কম। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশন নিয়মিত বৈঠক করছে এবং আইন সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে, যাতে সশস্ত্র বাহিনীও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে যুক্ত হতে পারে।
রাজনৈতিক অঙ্গনে ধারণা করা হচ্ছে, আওয়ামী লীগ কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞার কারণে মাঠে না থাকায় বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হবে জামায়াতে ইসলামী। দলটি ইতিমধ্যে ৩০০ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছে এবং প্রচারণা চালাচ্ছে। অন্যান্য ইসলামি দলের সঙ্গে জামায়াত আসন ভাগাভাগির আলোচনা করতে পারে। এনসিপি সেই সমঝোতায় যুক্ত হবে নাকি এককভাবে নির্বাচন করবে, তা এখনো পরিষ্কার নয়।
এনসিপির শীর্ষ নেতারা আগেই দাবি করেছিলেন, তারা এককভাবে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারবেন অথবা প্রধান বিরোধী দলে পরিণত হবেন। এমনকি এক নেতা পূর্বাভাস দিয়েছিলেন, বিএনপি ৯০ থেকে ১০০ আসনের বেশি পাবে না। সম্প্রতি জাতীয় যুব সম্মেলনে এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম জানিয়েছেন, ‘জুলাই ঘোষণাপত্রে ছাড় দিলেও জুলাই সনদে ছাড় দেওয়া হবে না।’ তার মতে, বিচারপ্রক্রিয়া ও নির্বাচনে সমান সুযোগ পাওয়া নিয়ে এখনও সংশয় রয়ে
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: আজহারুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ইব্রাহিমপুর, মিরপুর, ঢাকা-১২১০। আঞ্চলিক কার্যালয়: উকিলের মোড়, কলেজ স্টেশন রোড়, নীলফামারী।