
২০২৬ সালের বিশ্বকাপে লিওনেল মেসিকে দেখা যাবে কি না—এই প্রশ্ন এখনো ঝুলে আছে অনিশ্চয়তার দোলাচলে। ফুটবল বিশ্বের বহু ভক্তই আশা করেছিলেন, আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি হয়তো এ বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলবেন। তবে শেষ পর্যন্ত তিনিও হতাশ করলেন সমর্থকদের—কারণ মেসির সঙ্গে এখনো এ নিয়ে আলাদা করে কোনো আলোচনাই করেননি তিনি।
আসন্ন ইকুয়েডরের বিপক্ষে বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচে থাকছেন না আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। জাতীয় দলের হয়ে শেষবারের মতো হোম ম্যাচ খেলার পর যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে গেছেন মেসি। সেখানে ইন্টার মায়ামির হয়ে মেজর লিগ সকারে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। ফিটনেস ধরে রাখার স্বার্থেই জাতীয় দলের এই ম্যাচে না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ৩৭ বছর বয়সী তারকা।
স্কালোনি সংবাদ সম্মেলনে বলেন,
> “এখনই কোনো কিছু নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। আমিও জানি না কী হবে। অনেক কিছুই নির্ভর করছে সময় আর পরিস্থিতির ওপর। লিও সম্পর্কে বলতে গেলে—আমি তার সঙ্গে আলাদা করে বসিনি। শুধু সে যা প্রকাশ্যে বলেছে, সেটুকুই জানি। সিদ্ধান্ত নিতে ও সময় নেবে।”
এটাই ছিল আর্জেন্টিনার বাছাইপর্বের শেষ সংবাদ সম্মেলন। ভবিষ্যতের চেয়ে বর্তমানেই ফোকাস রাখছেন স্কালোনি।
তার ভাষায়—
> “আমি সবসময় সামনে যা আছে সেটাই দেখি। ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশি ভাবলে মনোযোগ নষ্ট হয়। এখন আমাদের লক্ষ্য ইকুয়েডরের ম্যাচ আর আসন্ন প্রীতি ম্যাচগুলো।”
নিজের দায়িত্বকাল নিয়ে সন্তুষ্ট স্কালোনি আরও যোগ করেন,
> “শুরু থেকেই আমরা চেয়েছিলাম একটা পরিচয় গড়ে তুলতে। যেন খেলোয়াড়রা জার্সির প্রতি ভালোবাসা থেকে খেলেন, কোনো চাপ থেকে নয়। সতীর্থদের প্রতি সম্মান আর সঠিক মানসিকতা—এসবই ছিল আমাদের মূল ভিত্তি। ট্রফি অবশ্যই আনন্দ দিয়েছে, তবে ছেলেরা যে মূল্যবোধ ধরে রেখেছে, সেটাই সবচেয়ে বড় সাফল্য।”
ইকুয়েডরের বিপক্ষে ম্যাচটি ফলাফলের দিক থেকে তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। ইতিমধ্যেই ৩৮ পয়েন্ট নিয়ে ব্রাজিলের চেয়ে ১০ পয়েন্ট এগিয়ে থেকে শীর্ষস্থান নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। তবে মেসি ছাড়াই এই ম্যাচে দল কেমন পারফরম করে, সেটিই হবে সমর্থকদের বাড়তি আগ্রহের জায়গা।
মন্তব্য করুন