
নিজস্ব প্রতিবেদক, নীরা :
অজুর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো হাত ও পায়ের আঙুলের ফাঁকে পানি পৌঁছানো। অনেক সময় দেখা যায়, মানুষ তাড়াহুড়োয় বা অসাবধানতাবশত এ অংশে ভালোভাবে পানি পৌঁছায় না। ফলে আঙুলের ফাঁক শুকনো থেকে যায়, যা অজুর পরিপূর্ণতা নষ্ট করে।
হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন —
“অজুর সময় তোমরা হাত ও পায়ের আঙুলগুলো ভালোভাবে ধুয়ে নাও।”
(আবু দাউদ)
অর্থাৎ, এক হাতের আঙুল দিয়ে অন্য হাত ও পায়ের আঙুলের ফাঁকে পানি পৌঁছানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে অজু পূর্ণাঙ্গ ও বিশুদ্ধ হয়।
অজুর সময় শরীরের কোনো অংশ শুকনো না থাকা
অজুর আরেকটি সাধারণ ভুল হলো শরীরের নির্ধারিত অংশে পানি না পৌঁছানো। বিশেষ করে কানের লতি, আঙুলের ভেতরের জায়গা, আংটি পরা অংশ বা কপালের কোনো জায়গা শুকনো থেকে গেলে অজু সম্পূর্ণ হয় না।
একজন সাহাবি অজু করার পর নবীজি (সা.) লক্ষ্য করলেন, তার শরীরের একটি ছোট অংশ শুকনো রয়েছে। তখন তিনি (সা.) বললেন—
“তোমার অজু হয়নি, তুমি আবার অজু করে আসো।”
(সহিহ মুসলিম)
এ থেকে বোঝা যায়, অজুর সময় শরীরের প্রতিটি নির্ধারিত স্থানে পানি পৌঁছানো নিশ্চিত করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
উপসংহার
অজু শুধু শারীরিক পরিশুদ্ধতা নয়, বরং এটি আত্মিক বিশুদ্ধতারও প্রতীক। তাই অজুর সময় আঙুলের ফাঁক, আংটির নিচ, কানের লতি এবং কপালের প্রান্তে পানি পৌঁছানো নিশ্চিত করা প্রতিটি মুসলমানের দায়িত্ব। সচেতনভাবে অজু করলে নামাজও হবে অধিক খুশু ও গ্রহণযোগ্য ইনশা আল্লাহ।
মন্তব্য করুন