নিজস্ব প্রতিবেদক, নীরা :
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, রক্তের লিপিড প্রোফাইল নিয়ন্ত্রণে না থাকলে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়। বিশেষ করে এলডিএল বা ক্ষতিকর কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বাড়লে হার্ট অ্যাটাক ও অন্যান্য হৃদ্যন্ত্রজনিত সমস্যার আশঙ্কা দেখা দেয়। এ ক্ষেত্রে কিছু খাবার সতর্কতার সঙ্গে গ্রহণ করা জরুরি।
বিশেষজ্ঞদের তথ্যমতে, মাছের মাথা ও মাছের ডিমে এমন উপাদান থাকে যা রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বাড়াতে সহায়তা করে। নিয়মিত এসব খাবার অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রহণ করলে হৃদ্স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।
চিংড়ি নিয়েও সতর্কতা
হৃদরোগীদের জন্য আরেকটি ঝুঁকিপূর্ণ খাবার হিসেবে চিংড়ির নাম উঠে এসেছে। ক্যালরি ও ফ্যাট তুলনামূলক কম হলেও চিংড়িতে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশ বেশি। গবেষণায় দেখা গেছে, সাড়ে তিন আউন্স রান্না করা স্যামন মাছে যেখানে কোলেস্টেরল থাকে মাত্র ৬২ মিলিগ্রাম, সেখানে একই পরিমাণ চিংড়িতে কোলেস্টেরলের পরিমাণ প্রায় ১৮৯ মিলিগ্রাম পর্যন্ত হতে পারে।
শেষ কথা
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, হৃদ্যন্ত্র সুস্থ রাখতে নিয়মিত স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণ ও দৈনন্দিন জীবনে শরীরচর্চা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা এবং জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনলে হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: আজহারুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ইব্রাহিমপুর, মিরপুর, ঢাকা-১২১০। আঞ্চলিক কার্যালয়: উকিলের মোড়, কলেজ স্টেশন রোড়, নীলফামারী।