
নিজস্ব প্রতিবেদক নীরা:
গবেষণায় দেখা গেছে, পেঁপেতে থাকা কিছু প্রোটিন ল্যাটেক্স অ্যালার্জিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের শরীরে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। এর ফলে চুলকানি, হাঁচি, ত্বকে ফুসকুড়ি এমনকি শ্বাসকষ্টও হতে পারে। এই ধরনের অ্যালার্জি থাকলে পেঁপে এড়িয়ে চলাই নিরাপদ।
গর্ভবতী নারী
বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঁচা বা আধাপাকা পেঁপে গর্ভাবস্থায় ঝুঁকিপূর্ণ। এতে থাকা কিছু উপাদান গর্ভাশয়ের সংকোচন বাড়াতে পারে, যা অকাল প্রসবের ঝুঁকি তৈরি করে। যদিও পুরোপুরি পাকা পেঁপে তুলনামূলক নিরাপদ বলা হয়, তবুও গর্ভাবস্থায় পেঁপে না খাওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ সিদ্ধান্ত।
হৃদস্পন্দনের সমস্যা যাদের আছে
পেঁপেতে থাকা কিছু রাসায়নিক উপাদান হৃদস্পন্দনের জটিলতায় ভোগা ব্যক্তিদের জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে যাদের অনিয়মিত হার্টবিট বা হার্ট অ্যারিথমিয়ার সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে পেঁপে খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
হাইপোথাইরয়েডিজমে আক্রান্তরা
পেঁপের কিছু উপাদান থাইরয়েড হরমোনের স্বাভাবিক কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে। হাইপোথাইরয়েডিজমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এটি বিপাক প্রক্রিয়াকে আরও ধীর করে দিতে পারে, ফলে ক্লান্তি, ওজন বৃদ্ধি ও ঠান্ডা সহ্য না হওয়ার মতো উপসর্গ বাড়তে পারে।
যাদের কিডনিতে পাথরের ঝুঁকি রয়েছে
পেঁপেতে ভিটামিন সি-এর পরিমাণ তুলনামূলক বেশি। অতিরিক্ত ভিটামিন সি শরীরে অক্সালেট তৈরি করে, যা কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। যাদের আগে কিডনিতে পাথর হয়েছে বা ঝুঁকি রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে পেঁপে পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই বুদ্ধিমানের।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো খাবারই সবার জন্য একভাবে উপকারী নয়। তাই নিয়মিত কোনো ফল বা খাদ্য গ্রহণের আগে নিজের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাদ্যাভ্যাস ঠিক করাই সুস্থ থাকার সবচেয়ে ভালো উপায়।
মন্তব্য করুন