
মোঃ সাগর আলী, নীলফামারীঃ র্যাব-১৩ এর অভিযানে পঞ্চগড় সদরে চাঞ্চল্যকর গনধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় পলাতক আসামি গ্রেফতার করেছে।
বাদীর দায়েরকৃত এজাহার জানাযায় যে, ভিকটিম এবং আসামি মোঃ আশিকুজ্জামান আশিক (২১)পূর্ব পরিচয়ের সুবাদে বন্ধুত্ব এবং বন্ধুত্ব এক সময় মনোমালিন্যে পরিণত হয়। এর জের ধরে ০১ নং আসামি দেখা করার কথা বলে অপর ০৩ জন আসামির সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়। গত ইং ১৪/০৯/২০২৫ তারিখ রাত ০৮.০০ ঘটিকায় কৌশলে দাওয়াতে নিয়ে যাবে বলে ১নং আসামি এবং অন্য আসামিরা ভিকটিমকে বাঁশ বাগানে এবং ইউক্যালিপটাস বাগানে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ০১ নং এবং ০২নং আসামি গণধর্ষণ করে অপর ০৩নং মো: লাদেন(২২)এবং ০৪ নং আসামি পুনরায় ধর্ষণের চেষ্টা ও সহায়তা করেন ।পরবর্তীতে ভিকটিম বাদী হয়ে পঞ্চগড় জেলার পঞ্চগড় সদর থানায় একটি গণধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-২৩, তাং-১৫/০৯/২৫, ধারাঃ ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যতন দমন আইন (সংশোধনী/০৩) এর ৭/৯(৩)/৯(৪)(খ)/৩০।
ঘটনাটি উক্ত এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে বিধায় র্যাব-১৩, সিপিসি-২, নীলফামারী ক্যাম্পের দৃষ্টিগোচর হয়। পরবর্তীতে উক্ত মামলার আসামীদেরকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তা নিয়ে আসামিকে গ্রেফতারের তৎপরতা শুরু করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১৩, রংপুর, সিপিসি-২, নীলফামারী, ইং ০৩/০৪/২০২৬ তারিখ রাত ০২:০০ ঘটিকার সময় পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া থানাধীন পাথরঘাটা গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে। পঞ্চগড় সদর থানার ০৩নং এজাহারনামীয় পলাতক আসামি মোঃ লাদেন (২২), পিতা- মো: আব্দুর রাজ্জাক, সাং- আমতলা, থানা- পঞ্চগড় সদর, জেলা- পঞ্চগড়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য ভিকটিম ও আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও এই ধরণের প্রতিটি অপহরণ, হত্যা, ধর্ষণসহ সকল অপরাধ প্রতিরোধে র্যাবের প্রতিটি সদস্য দৃঢ়প্রত্যয়ের সাথে কাজ করছে এবং চলমান এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন