সাব্বির হোসেন, কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী)
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে চাঞ্চল্যকর মারুফা বেগমকে হত্যার রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। পারিবারিক কলহ থেকে ঘুমন্ত অবস্থায় মায়ের মাথায় গাছের শিকর দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে ঘরের মেঝেতে মাটিতে পুতে রাখে নিজ ছেলে মাজহারুল আনোয়ার জুয়েল। পুলিশের জিজ্ঞাসা বাদে ছেলে জুয়েল এসব স্বীকার করেছে। পরে সে আদালতে জবানবন্দি দেয়।
শনিবার বিকালে কিশোরগঞ্জ থানায় সংক্ষিপ্ত প্রেস বিফ্রিংয়ের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ওসি লুৎফর রহমান।
ওসি লুৎফর রহমান তার কার্যালয়ে আলোচিত ‘মা’ হত্যাকান্ডের সংক্ষিপ্ত প্রেস ব্রিফিংকালে সাংবাদিকদের বলেন, গত ৩ জুন কিশোরগঞ্জ দিবাগত রাতে উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের ময়দানপাড়ায় ঘড়ের মেঝে খুঁড়ে বৃদ্ধা মারুফার (৬০) লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ব্যাপারে সন্দেহভাজন বৃদ্ধার বড় ছেলে মাজহারুল আনোয়ার জুয়েলকে সাভারের আশুলিয়া থেকে গ্রেফতার করে ২৫ জুন আদালতে পাঠালে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দীতে তিনি একাই হত্যার দায় স্বীকার করেন। জবানবন্দিতে সে জানায়, গত ৩১ মে’ ২০২৬ তারিখে পারিবারিক ঝগড়ায় ছোট ছেলে লাভিনের (৩৭) পক্ষ নিলে বড় ছেলে জুয়েলের ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। এর পর জুয়েলের স্ত্রী তার সন্তানকে নিয়ে বাপের বাড়ী ও ছোট ভাই লাভিন তার স্ত্রী সন্তান নিয়ে স্বশুরবাড়ী চলে যান। ১ জুন’ ২০২৬ তারিখে বৃদ্ধা মা তার শোয়ার ঘড়ে দিনের বেলা ঘুমিয়েছিলেন। এসময় মাকে একা পেয়ে জুয়েল তার ক্ষোভ মিটাতে গাছের শিকর দিয়ে মায়ের মাথায় আঘাত করেন। পরে জুয়েল বাজারে চায়ের দোকানে আড্ডা দিতে যায়। বিকালে বাড়ীতে এসে মায়ের মৃত্যু দেহ দেখে ঘড়ের মেঝের মধ্যে মাকে পুতে রাখেন। লাভিন গত ৩ জুন বাড়ীতে এসে মায়ের বিছানায় রক্তদাগ ও মাটির মেঝে ফুলে উঠায় সন্দেহ হলে থানায় সংবাদ দেয়। কিশোরগঞ্জ থানা পুলিশ ওই দিনেই রাতে মেঝে খুড়ে তার মায়ের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়ে দেয়। এ ব্যাপারে কিশোরগঞ্জ থানায় ছোট ছেলে লাভিন বাদী হয়ে ৪ জুন একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। #
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: আজহারুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ইব্রাহিমপুর, মিরপুর, ঢাকা-১২১০। আঞ্চলিক কার্যালয়: উকিলের মোড়, কলেজ স্টেশন রোড়, নীলফামারী।