
কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী)প্রতিনিধি
নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মাওলানা আব্দুল মুনতাকিমের বিরুদ্ধে নিজ দলিয় নেতার একটি শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকা স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসার নামে সংস্কার বাবদ ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের (টিআর) প্রকল্প থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বরাদ্দকৃত মাদ্রাসাটি উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি শিব্বির আহমেদের বলে এলাকাবাসী জানান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য জামায়াতে ইসলামী মনোনীত এমপি। অভিযোগ রয়েছে, তাঁর দলের স্থানীয় নেতা উপজেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী শিব্বির আহমেদের নিজস্ব। শিক্ষা কার্যক্রমহীন একটি ইবতেদায়ী মাদ্রাসর জন্য এ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
সরেজমিনে কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নের ইসমাইল যদুমনি এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সেখানে ইবতেদায়ী মাদ্রাসার নামে মাত্র দুটি টিনশেড ঘর রয়েছে। মাদ্রাসার কোনো সাইনবোর্ড নেই। সেখানে কোনো শিক্ষার্থী বা শিক্ষকও পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের ভাষ্য, সেখানে দীর্ঘদিন ধরে কোনো ধরনের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে না।
এলাকার একাধিক বাসিন্দা অভিযোগ করে বলেন।আমরা জানিই না এখানে কোনো ইবতেদায়ী মাদ্রাসা আছে। কখনো ক্লাস হতে দেখিনি, কোনো শিক্ষক-শিক্ষার্থীও দেখিনি। শুধু দুটি টিনের ঘর রয়েছে। তারপরও কীভাবে এই প্রতিষ্ঠানের নামে সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হলো, তা আমাদের বোধগম্য নয়।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণেই প্রকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বাদ দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রমহীন একটি প্রতিষ্ঠানের নামে সরকারি অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তাদের দাবি, বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং প্রকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারি সহায়তার আওতায় আনা হোক।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) রাশেদুজ্জামান বলেন,এমপি মহোদয়ের অভিপ্রায়ে এটি দেওয়া হয়েছে, ওনি এটির ডিও লেটার দিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংসদ সদস্য হাফেজ মাওলানা আব্দুল মুনতাকিমের সঙ্গে মুঠোফোন ও হোয়াটসঅ্যাপে মতামত জানতে চাইলে ফোন রিসিভ না করায় মতামত জানা সম্ভব হয়নি।
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: আজহারুল ইসলাম
প্রধান কার্যালয়: ইব্রাহিমপুর, মিরপুর, ঢাকা-১২১০। আঞ্চলিক কার্যালয়: উকিলের মোড়, কলেজ স্টেশন রোড়, নীলফামারী।