northmail24.comউত্তরবঙ্গের মানুষের কথা বলে...
বিজ্ঞাপন
ব্রেকিং
দেবীগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১২ সদস্যের অনাস্থা প্রস্তাবতিস্তা সেচ প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শুরু, উপকৃত হবে ৪২ হাজার হেক্টর জমিসৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় নতুন কোচ নির্মাণ, কর্মসংস্থান বাড়ছেউত্তরা ইপিজেডে নতুন তিন কারখানা, দুই হাজার শ্রমিকের কাজের সুযোগডোমারে বীজ আলু উৎপাদনে রেকর্ড, খুশি চাষিরাডিমলায় তিস্তার ভাঙনে বিলীন ৩০ পরিবারের বসতভিটাজলঢাকায় শিক্ষার্থীদের জন্য চালু হলো বিনামূল্যে ডিজিটাল লাইব্রেরিকিশোরগঞ্জে ভুট্টার বাম্পার ফলন, দাম নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষকনীলফামারী মেডিকেল কলেজে শুরু হলো নতুন ওয়ার্ড কার্যক্রমরংপুরে বিভাগীয় সম্মেলন ঘিরে নেতাকর্মীদের ব্যাপক প্রস্তুতি
নীলফামারী

দেবীগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১২ সদস্যের অনাস্থা প্রস্তাব

দেবীগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ১২ সদস্যের অনাস্থা প্রস্তাব


‎দেবীগঞ্জ (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি-

‎পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার সুন্দরদিঘী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল হালিমের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছেন পরিষদের ১২ জন ইউপি সদস্য। দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বজনপ্রীতি, অর্থ আত্মসাৎ এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুলে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এ অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়েছে।

‎বুধবার (১৯ আগস্ট) ইউপি সদস্যরা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবসংবলিত লিখিত আবেদন ও সভার রেজুলেশনের অনুলিপি দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে জমা দেন।

‎ইউপি সদস্যদের দেওয়া লিখিত আবেদনে উল্লেখ করা হয়, চেয়ারম্যান মো. আব্দুল হালিমের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বজনপ্রীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া সাধারণ জনগণের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনায় নানা ধরনের জটিলতা সৃষ্টির অভিযোগও করা হয়েছে।

‎আবেদনে আরও বলা হয়, চেয়ারম্যানের সঙ্গে কাজ করা ইউপি সদস্যদের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে। এসব কারণে পরিষদের ১২ জন সদস্য সর্বসম্মতিক্রমে জরুরি সভা করে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব গ্রহণ করেন। পরে সভার রেজুলেশনের অনুলিপিসহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনাস্থা প্রস্তাব দাখিল করা হয়।

‎এ বিষয়ে সুন্দরদিঘী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, কিছুদিন আগে পরিষদের এক নারী ইউপি সদস্যকে বিনা দোষে লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি চেয়ারম্যানের এলাকায় হলেও তিনি এর কোনো কার্যকর সমাধান করেননি।

‎তিনি বলেন, “একজন ইউপি সদস্য লাঞ্ছিত হওয়ার পরও চেয়ারম্যান আমাদের অভিভাবক হিসেবে কোনো দায়িত্ব পালন করেননি এবং বিষয়টিকে গুরুত্ব দেননি। আজ একজন ইউপি সদস্য লাঞ্ছিত হয়েছেন, আগামীতে অন্য কোনো ইউপি সদস্য যে লাঞ্ছিত হবেন না—তার নিশ্চয়তা কী? তাহলে আমরা কীভাবে তাঁর ওপর আস্থা রাখব?”

‎এদিকে, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ও অনাস্থা প্রস্তাবের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই ও পরবর্তী প্রশাসনিক পদক্ষেপ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

‎বার্তা প্রেরক:
‎নাহিদ সিদ্দিক বাপ্পী
‎দেবীগঞ্জ (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি
‎মোবাইল: ০১৯০৬৩৩৬৬২০

শেয়ার করুন: ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ এক্স টেলিগ্রাম

আপনার মতামত জানান

আপনার ই-মেইল প্রকাশ করা হবে না। মন্তব্য সম্পাদকীয় নীতিমালা অনুযায়ী প্রকাশিত হবে।