
‘
সাব্বির হোসেন, নীলফামারী
“সরকারের সাবেক ও বর্তমান উপদেষ্টারা সেফ এক্সিট নিয়ে পরিকল্পনা করছে—যিনি বলছেন তিনিও ছিলেন সরকারের উপদেষ্টা। তাহলে তালিকা দিন—কারা সেফ এক্সিটের চিন্তা করছেন,” এমন মন্তব্য করেছেন রুহুল কবির রিজভী।
সম্প্রতি নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বাহাগিলী ইউনিয়নের উত্তর দুরাকুটি পাগলাটারী গ্রামের অসহায় বৃদ্ধ মোস্তাকিন দম্পতিকে নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। বিষয়টি তারেক রহমান-এর নজরে এলে তাঁর নির্দেশে ‘আমরা বিএনপির পরিবার’-এর পক্ষ থেকে ওই দম্পতির হাতে দুটি অটোভ্যান ও ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও আমরা বিএনপির পরিবারের উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।
সহায়তা প্রদানকালে তিনি বলেন, “এই সরকারের সাবেক এক উপদেষ্টা বলেছেন—বর্তমান কিছু উপদেষ্টা সেফ এক্সিটের পরিকল্পনা করছে। আমরা অনেক আগেই বলেছিলাম, শেখ হাসিনার আমলে গণতন্ত্র ধ্বংস করে, বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের ওপর দমন-নিপীড়ন চালিয়ে, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও ক্রসফায়ার করে ক্ষমতায় টিকে থাকা যাবে না। আজ যাঁরা অন্যায় করেছেন, দুর্নীতি বা টাকা পাচার করেছেন, হত্যা বা নিপীড়নের সঙ্গে যুক্ত আছেন, তাঁদের সেফ এক্সিট দরকার।”
তিনি আরও বলেন, “এই অঞ্চলে আমাদের চার-পাঁচজন ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে, যা তৎকালীন এক সংস্কৃতি মন্ত্রীর নির্দেশনায় সংঘটিত হয়। তখনও আমরা বলেছিলাম—আপনারা সেফ এক্সিটের কথা ভাবুন। এখনো সময় আছে—যাঁরা এসবের সঙ্গে যুক্ত, তারা যেন সেফ এক্সিটের ব্যবস্থা করে নেন।”
বিএনপি নেতা বলেন, “বেগম খালেদা জিয়ার কখনো সেফ এক্সিটের প্রয়োজন হয়নি। তাঁর বিরুদ্ধে অনেক মিথ্যা মামলা দেওয়া হলেও তিনি এই দেশেই থাকতে চেয়েছেন—এই মাটিতেই, এই বাতাসে, এই জল-আলোর মাঝেই।”
মন্তব্য করুন