
খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বিপণনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং ভোক্তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার সদর ও নিতাই ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে একযোগে ৪টি মোবাইল কোর্ট এ অভিযান চালায়।
অভিযানে ৩টি বেকারি ও একটি হোটেলে গুরুতর অনিয়ম ধরা পড়ে। এসব প্রতিষ্ঠানে উৎপাদিত খাদ্যপণ্যে উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ উল্লেখ না করা, বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়া মনোগ্রাম ব্যবহার, মোড়কে ভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা ব্যবহার এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনার প্রমাণ মেলে।
এ কারণে বিভিন্ন আইন অনুযায়ী চারজন মালিককে মোট ৮৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তারা হলেন—
১.পানিয়াল পুকুর কাচারি বাজারের মৃত কফিল উদ্দিনের ছেলে মোঃ আফিউল ইসলাম (৩৭) কে —বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্স এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউট আইন, ২০১৮ মোতাবেক ২৫,০০০/- টাকা জরিমানা ও একই গ্রামের,
২. মজির আলীর ছেলে মোঃ এমদাদুলকে—ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইন, ২০১৮ মোতাবেক ২৫,০০০/-
৩.হেছাব উদ্দিনের ছেলে মোঃ সবুজ হোসেনকে—লাইসেন্স ব্যতীত মোড়ক ব্যবহার আইন, ২০১৮ মোতাবেক ৩০,০০০/-
৪.কবিনুর ইসলামের ছেলে মোঃ মানিক মিয়াকে—ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ মোতাবেক ৫,০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রীতম সাহা বলেন, “খাদ্য নিরাপত্তা ও ভোক্তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অনিয়ম ও আইন ভঙ্গের ক্ষেত্রে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।”
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন