
মোঃ তুহিনুর রহমান নয়ন নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি
পবিত্র মাহে রমজান মুসলিম উম্মার জন্য সংযম আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহ ভীতির এক অনন্য মাস। এই মাসে মহান আল্লাহতালা মুসলমানদের উপর রোজা ফরজ করেছেন যাতে মানুষ তাকওয়া অর্জন করতে পারে রমজান মাস শুধুমাত্র পানাহার থেকে বিরত থাকা নয় বরং আত্মসংযম, নৈতিক আত্মশুদ্ধি ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার এক মহান প্রশিক্ষণকাল।
ইসলামী ইতিহাস অনুযায়ী এই পবিত্র মাসেই মানবজাতির হেদায়েতের জন্যই মহাগ্রন্থ আল কুরআন নাযিল হয়। তাই রমজান মাস কুরআনের মাজ হিসেবে ও পরিচিত এ মাসে মুসলমানরা বেশি বেশি কোরআন তেলাওয়াত নামাজ দোয়া ও ইবাদতে মশগুল থাকেন। বিশেষ করে তারাবির নামাজ রমজানের থানায় অন্যতম বৈশিষ্ট্য। যা মুসলমানদের ধর্মীয় জীবনে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। রমজান মাস সমাজে সাম্য, সহানুভূতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে। ধনী গরিব নির্বিশেষে সবাই একই নিয়মে রোজা রাখার মাধ্যমে খুদা ও দারিদ্র্যের অনুভূতি অনুভব করে। ফলে সমাজে দরিদ্র মানুষের প্রতি সহমর্মিতা বাড়ে। এ মাসে যাকাত ফিতরা ও দান ছদকার মাধ্যমে সমাজের সমাজের অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা হয়।
ধর্মীয় আলেমরা বলেন রমজান মাস হল চরিত্র গঠনের শ্রেষ্ঠ সময়। মিথ্যা হিংসা পরনিন্দা ও অন্যায় কাজ থেকে বিরত থেকে সত্য, ধৈর্য ও ন্যায়পরায়ণতার পথে চলার শিক্ষা দেয় এই মাসে। রমজানের প্রকৃত শিক্ষা হলো রোজার পরও সারা জীবন এই সংযম ও নৈতিকতা বজায় রাখা।
মন্তব্য করুন