
ম্যানচেস্টার টেস্টে ব্যাট হাতে ঝড় তোলার আগেই রুদ্ধশ্বাস এক মুহূর্তে স্তব্ধ হয়ে যায় পুরো মাঠ। ইংল্যান্ডের পেসার ক্রিস ওকসের বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে বল লাগে ভারতের উইকেটকিপার ব্যাটার ঋষভ পান্তের ডান পায়ে। মুহূর্তেই যন্ত্রণায় কুঁকড়ে যান তিনি, রক্তপাত শুরু হয়, দাঁড়িয়ে থাকাও সম্ভব ছিল না। স্ট্রেচারে করে নেওয়া হয় হাসপাতালে।
চোটের এই মর্মান্তিক দৃশ্যটি অনেকের সহানুভূতি কাড়লেও ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি ব্যাটার জিওফ্রে বয়কট রাখঢাক না রেখে খোলামেলা সমালোচনায় মেতে উঠেছেন। দ্য টেলিগ্রাফ পডকাস্টে বয়কট স্পষ্ট ভাষায় বলেন,
চমকে যায়, প্রশংসাও পায়। সেটাই তার ব্যাটিংয়ে না, তখন সেগুলো শ
তবে চোট পেয়েও পান্ত দমে যাননি। দ্বিতীয় দিনে শার্দুল ঠাকুর আউট হওয়ার পর ব্যথা সত্ত্বেও আবার মাঠে নামেন তিনি। তখন আর ‘রানার’ নেওয়ার নিয়ম নেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে, ফলে লিম্প করেই চালিয়ে যেতে হয় ব্যাটিং। ৩৭ রান নিয়ে শুরু করে ৬৯ বলে তুলে নেন অনবদ্য হাফসেঞ্চুরি। তীব্র ব্যথা সত্ত্বেও জোফরা আর্চারকে ছয় মেরে জানান দেন— তিনি হার মানার মানুষ নন।
শেষ পর্যন্ত ৫৪ রানে আর্চারের বলেই বোল্ড হয়ে বিদায় নেন পান্ত। কিন্তু তার সাহসিকতা আর লড়াকু মানসিকতা জিতে নিয়েছে অসংখ্য ক্রিকেটপ্রেমীর হৃদয়।
মন্তব্য করুন