
দিনাজপুরে শীতের প্রকোপ ধীরে ধীরে বাড়ছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় সকাল ও সন্ধ্যায় মানুষের চলাচলে শীতের পোশাক চোখে পড়ছে। ভোরের দিকে ঘন কুয়াশা পড়ায় স্বাভাবিক জীবনে কিছুটা শীতের অনুভূতি বেড়েছে।
সোমবার (১ ডিসেম্বর) দিনাজপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে আসে ১৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ৯৪ শতাংশ। আগের দিন রোববার (৩০ নভেম্বর) তাপমাত্রা ছিল ১৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং আর্দ্রতা ৯২ শতাংশ।
জেলার কয়েকটি এলাকায় সরেজমিনে দেখা যায়, ভোরে মসজিদে নামাজ পড়তে আসা মানুষজন গরম পোশাক পরে বের হচ্ছেন। অনেকে বলছেন, ভোরবেলা ঠান্ডা অনুভূত হওয়ায় শীতের আগমনী বার্তা পরিষ্কার।
স্টেশন এলাকায় পত্রিকা বিক্রেতাদেরও ব্যস্ততা দেখা গেছে। তারা জানান, ভোরে পত্রিকা নিতে বের হতে হয় বলে ঠান্ডা বেশি লাগে। তবে সাইকেল চালানোর কারণে কিছুটা গরম লাগে, তাই অনেকেই হালকা শীতবস্ত্র খুলে রাখেন।
দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তোফাজ্জল হোসেন জানান, জেলায় প্রতিদিনই তাপমাত্রা সামান্য করে কমছে। এবার শীত নামার গতি ধীর হলেও শীতের প্রভাব ধীরে ধীরে বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সোমবার রেকর্ড করা ১৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসই বর্তমানে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।
মন্তব্য করুন