
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা ও মানসিক সুস্থতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুন কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নীতিমালা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার কথা বলা হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিজস্ব মনিটরিং পুল প্রতি বছর নতুন ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে। যদি অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বেশি হয়, তাহলে আলোচনা সাপেক্ষে একাধিক ব্যাচে প্রশিক্ষণ আয়োজন করা যাবে।
এছাড়া অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ এবং শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরা হয়েছে। এ বিষয়ে অভিভাবকদেরও সচেতন করার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। প্রয়োজন মনে করলে নির্ধারিত ম্যানুয়ালের নির্দেশনা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের প্রশিক্ষণের আওতায় এনে কার্যক্রমে যুক্ত করা সম্ভব।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠানপ্রধানরা এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবেন। জেলা, উপজেলা বা থানা পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তারা সমঝোতা স্মারকের আওতায় থেকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সমন্বয় করবেন। প্রশিক্ষণসংক্রান্ত কোনো বিষয়ে প্রয়োজন হলে প্রতিষ্ঠানপ্রধানরা কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সমন্বয়কারীর সঙ্গেও যোগাযোগ করতে পারবেন।
এদিকে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা এবং প্রশিক্ষণ শেষে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অনুশীলন কার্যক্রম তদারকির জন্য মনিটরিং পুলে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে যুক্ত থাকবেন বাংলাদেশ স্কাউটসের সদস্যরা। স্কুল পর্যায়ে স্কাউটস এবং কলেজ পর্যায়ে রোভার স্কাউটস সদস্যরা এ কাজে সহযোগিতা করবেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি মানসিক সুস্থতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মন্তব্য করুন