
বাংলাদেশের বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। পুনরায় বনায়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছের চারা উৎপাদন ও রোপণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর পরিবর্তে মধুপুর শালবন পুনরুদ্ধারে বিশেষ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন চলছে।
বনাঞ্চলের প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও হাতির চলাচলের নিরাপদ পথ নিশ্চিত করতে চুনতি ও শেরপুর অঞ্চলের বন পুনরুদ্ধারের কাজও এগিয়ে চলছে। মানব-হাতি সংঘাত কমাতে গঠন করা হয়েছে ১৫৯টি ‘এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম (ইআরটি)’, যারা মাঠপর্যায়ে সচেতনতা ও উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় ময়ূর ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, পাশাপাশি বিপন্ন প্রজাতি সংরক্ষায় নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। জলাভূমির সুরক্ষায় কয়েকটি এলাকা অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন অভিযানে ২৯৩টি অভিযানের মাধ্যমে উদ্ধার করা হয়েছে ৫ হাজার ৬৮৪টি প্রাণী।
জাতীয় উদ্যান ও ইকোপার্কগুলোতে প্লাস্টিক ব্যবহার ও পিকনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বন্যপ্রাণী আইন আধুনিকীকরণ এবং নতুন আইন, বিধি ও নির্দেশিকা প্রণয়নের কাজ চলছে।
পরিবেশ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসব উদ্যোগ দেশের পরিবেশ ও প্রকৃতি সংরক্ষণে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এবং জলবায়ু সহনশীল ও টেকসই বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মন্তব্য করুন