
আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ২২ শতাংশ কম বাজেট বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। অর্থনীতিবিদদের মতে, এই সংযত নীতি দীর্ঘমেয়াদে দেশের অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
এদিকে, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে আলোচিত ১০টি শিল্পগোষ্ঠীর ঋণ অনিয়ম তদন্তে যৌথ অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), বাংলাদেশ ব্যাংক, সিআইডি, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) যৌথভাবে এ তদন্ত পরিচালনা করছে। অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে এস আলম, বেক্সিমকো, সামিট, জেমকন, নাসা, আরামিটসহ কয়েকটি প্রভাবশালী গ্রুপ। এদের খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫১ হাজার ৬৬৩ কোটি টাকার বেশি, যার মধ্যে শুধু বেক্সিমকোর দায়ই ২০ হাজার কোটির উপরে।
রাজস্ব খাতে সংস্কারের অংশ হিসেবে এনবিআর বিলুপ্ত করে ‘রাজস্ব নীতি’ ও ‘রাজস্ব ব্যবস্থাপনা’ নামে দুটি পৃথক বিভাগ গঠন করা হয়েছে। এতে কর আদায়ে স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। তবে শুরুর দিকে কিছু কর্মচারীর বিরূপ প্রতিক্রিয়া ও আন্দোলনের মুখে পড়লেও সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে তা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে।
মন্তব্য করুন