
বর্তমান সময়ে শিশু থেকে শুরু করে প্রবীণ—প্রায় সব বয়সী মানুষই স্মার্টফোন ব্যবহার করেন। অনেকের ক্ষেত্রে এটি আস্তে আস্তে আসক্তিতে রূপ নিচ্ছে। বিশেষ করে রাতে ঘুমানোর আগে দীর্ঘ সময় ধরে ফোনে সময় কাটানোর প্রবণতা বেড়েছে। অনেক সময় ফোন ব্যবহার করতে করতে ঘড়ির কাঁটা কতোদূর এগিয়ে গেছে, সেটিও খেয়াল থাকে না। কিন্তু অতিরিক্ত স্মার্টফোন ব্যবহার শরীর ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর—রাতে এর প্রভাব আরও বেশি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কয়েকটি সহজ অভ্যাস গড়ে তুললে এই রাতের ফোন আসক্তি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব—
‘বিরক্ত করবেন না’ মোড চালু করুন: ফোনের ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ মোড অন করলে রাতে অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ থাকবে, ফলে ঘুমের ব্যাঘাত কমবে।
অন্য কাজে মনোযোগ দিন: বই পড়া, গান শোনা, খেলাধুলা কিংবা পছন্দের শখে সময় দিন—যা মোবাইলের প্রতি নির্ভরতা কমাবে।
ঘুমের আগে মোবাইল ত্যাগ করুন: অন্তত এক ঘণ্টা আগে মোবাইল ব্যবহার বন্ধ করুন। চাইলে এসময় বই পড়া বা হালকা ব্যায়াম করতে পারেন।
স্ক্রিন টাইম ট্র্যাক করুন: স্ক্রিন টাইম অ্যাপ ব্যবহার করে প্রতিদিন কতক্ষণ মোবাইল ব্যবহার করছেন তা পর্যবেক্ষণ করুন এবং ধীরে ধীরে সময় কমান।
অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ করুন: এমন অ্যাপের নোটিফিকেশন বন্ধ করুন, যা আপনাকে বারবার ফোন হাতে নিতে বাধ্য করে।
সময়সীমা নির্ধারণ করুন: প্রতিদিন ফোন ব্যবহারের একটি নির্দিষ্ট সময় ঠিক করুন এবং সেই সীমা মেনে চলুন।
সোশ্যাল মিডিয়া কম ব্যবহার করুন: প্রয়োজনে কিছুদিন সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বিরতি নিন।
এসব নিয়ম মেনে চললে রাতের স্মার্টফোন আসক্তি কমিয়ে আনতে এবং ঘুমের গুণগত মান উন্নত করতে সহায়তা করবে।
মন্তব্য করুন