প্রধান সংবাদ
Northmail24 Team
১৩ নভেম্বর ২০২৫, ৯:০৫ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য কোন কলা উপযুক্ত? বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ জানুন

নিজস্ব প্রতিবেদক, নীরা :

কলাকে বলা হয় সহজলভ্য ‘সুপারফুড’। এটি যেমন পুষ্টিগুণে ভরপুর, তেমনই শরীরের প্রয়োজনীয় শক্তিরও দারুণ উৎস। সবজি হিসেবেও যেমন খাওয়া যায়, তেমনি ফল হিসেবেও পাকা কলা জনপ্রিয়। তবে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য কোন ধরনের কলা সবচেয়ে নিরাপদ— কাঁচা, পাকা নাকি মজে যাওয়া— সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন পুষ্টিবিদরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কলা যত বেশি পাকে, এর ভেতরের স্টার্চ ততটাই পরিবর্তিত হয়ে প্রাকৃতিক চিনি যেমন গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ ও সুক্রোজে রূপ নেয়। ফলে কাঁচা, আধাপাকা ও অতিপাকা কলার গঠন ও রক্তে শর্করার ওপর প্রভাব এক নয়।

কাঁচকলা: ডায়াবেটিকদের সেরা বিকল্প

কাঁচকলায় মিষ্টত্ব কম এবং ফাইবারের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি। এই ফাইবার রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি হজমতন্ত্রের জন্য উপকারী, কারণ কাঁচকলা প্রিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে— যা অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়া বাড়ায় ও প্রদাহ কমায়।

অল্প পাকা বা আধাপাকা কলা

যে কলা পুরোপুরি কাঁচা নয়, আবার সম্পূর্ণ পাকা নয়— সেটিও উপকারী। এই অবস্থায় ফলটির পটাশিয়াম মাত্রা সবচেয়ে বেশি থাকে, যা পেশি ও স্নায়ুর কার্যক্রম ঠিক রাখতে সাহায্য করে। যাদের রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, তারা এই ধরনের কলা সীমিত পরিমাণে খেতে পারেন।

হলুদ বা সম্পূর্ণ পাকা কলা

পুরোপুরি পাকা কলায় স্টার্চ প্রাকৃতিক চিনিতে রূপান্তরিত হয়ে মিষ্টতা বাড়ায়। এটি দ্রুত এনার্জি দেয়, তাই যারা নিয়মিত ব্যায়াম করেন তাদের জন্য এটি উপযোগী। তবে ডায়াবেটিকদের জন্য নয়, কারণ এতে শর্করার মাত্রা তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে।

মজে যাওয়া কলা: একেবারে নয়

যে কলায় কালচে বা বাদামি দাগ পড়ে, সেটি আসলে অতিপাকা বা মজে যাওয়া কলা। এতে শর্করার পরিমাণ সর্বাধিক এবং এটি রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের এই ধরনের কলা থেকে দূরে থাকা উচিত।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য সবচেয়ে ভালো হলো কাঁচকলা বা অল্প পাকা কলা। এতে ফাইবার বেশি, শর্করা কম এবং হজমের জন্যও উপকারী। অন্যদিকে মজে যাওয়া অতিপাকা কলা যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা উচিত।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

তেঁতুলিয়ায় টানা শীত, দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ

মহান বিজয় দিবসে ৩১ বার তোপধ্বনি, স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন

আবারও সাফল্যের শীর্ষে নীলফামারীর সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজ।

বিজয় দিবসকে ঘিরে দেবীগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর ব্যতিক্রমী পরিচ্ছন্নতা উদ্যোগ

নীলফামারীতে টিটিসির উদ্যোগে শুরু হল অভিবাসী সেবা সপ্তাহ।

শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসে নীলফামারী জেলা পুলিশের শ্রদ্ধাঞ্জলি।

নীলফামারীতে সড়ক দুর্ঘটনা রোধ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বসুন্ধরা শুভসংঘের মানববন্ধন

ওসমান হাদীর ওপর হামলার প্রতিবাদে নীলফামারীতে ছাত্র শিবিরের বিক্ষোভ মিছিল।

আসন্ন আইপিএলে নিলামে ক্রিকেটাররা

নীলফামারীতে ট্রেনের ধাক্কায় দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু।

১০

নীলফামারীতে বিভাগীয় লেখক পরিষদের ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন।

১১

নীলফামারীতে জামায়াত- ইসলামীর দলীয় পোস্টার অপসারণ।

১২

জলঢাকায় বুড়ি তিস্তা খননের দাবিতে কৃষকদের মানববন্ধন

১৩

ডেঙ্গুতে আরও তিনজনের মৃত্যু, আক্রান্ত প্রায় এক লাখ ছাড়াল

১৪

স্বপ্নে নবীজিকে (সা.) দেখার আমল নিয়ে আলেমদের ব্যাখ্যা

১৫

অস্ট্রেলিয়ার ঘোষণা: অনূর্ধ্ব–১৯ বিশ্বকাপে তরুণদের নেতৃত্বে অলিভার পিক

১৬

দীর্ঘস্থায়ী চুলকানি শুধু অ্যালার্জি নয়, হতে পারে গুরুতর অসুখের সংকেত

১৭

মেসি-উন্মাদনায় ফেটে পড়ছে কলকাতা: ফুটবলের ‘ঈশ্বর’কে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত সিটি অব জয়

১৮

ঢাকা প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লিগ ১৪ ডিসেম্বর থেকে শুরু

১৯

ডিমলায় জমি দখলে ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন।

২০