northmail24.comউত্তরবঙ্গের মানুষের কথা বলে...
বিজ্ঞাপন
ব্রেকিং
নীলফামারীতে ডিএনএ প্রমাণিত, তবুও সন্তানের পিতৃপরিচয় দিচ্ছে না জয়জলঢাকায় বুড়ি তিস্তা নদীসহ বিভিন্ন স্থানে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের হিড়িক জলঢাকায় জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের ৪৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত।ডোমারে ৬৬ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ, দুই প্রতিষ্ঠানকে ১৩ হাজার টাকা জরিমানাজলঢাকায় ৫ দিনব্যাপী স্কাউট সমাবেশের উদ্বোধন কিশোরগঞ্জে গরুর গুঁতায় প্রাণ গেল শিক্ষিকারকিশোরগঞ্জে মাদকবিরোধী শপথ হাজারো শিক্ষার্থীর কন্ঠেসৈয়দপুরে চুরি-ছিনতাই বেড়েছে, বাড়ছে জনমনে আতঙ্কনীলফামারীতে ৩৫ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানানীলফামারীতে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের পুরস্কার বিতরণ
জলঢাকা

জলঢাকায় বুড়ি তিস্তা নদীসহ বিভিন্ন স্থানে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের হিড়িক 

জলঢাকায় বুড়ি তিস্তা নদীসহ বিভিন্ন স্থানে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের হিড়িক 

তুহিনুর রহমান তুহিন নীলফমারী প্রতিনিধি:

নীলফমারীর জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা ও ডাউয়াবাড়ী  ইউনিয়নের নাড্ডাপাড়ায়,এক কপাটি ব্রীজ ও বুড়ি তিস্তা নদীসহ বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে বালু খোকো অসাধু ব্যবসায়ীগন।  সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়  বুড়িতিস্তা নদীর ঘাটের পার বালুর পয়েন্ট, নাড্ডাপাড়া বালুর পয়েন্ট, সাত কপাটি ব্রীজের পাশে বালুর পয়েন্ট, কুটিপাড়া আবাসন এলাকায় বালুর পয়েন্ট,সাতজান রাজার ডাঙা এলাকায় বুড়িতিস্তা নদীর বালু পয়েন্ট, ডিবুপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী বুড়িতিস্তা নদীর বালুর পয়েন্টসহ উপজেলার বিভিন্ন  স্থান থেকে সকাল ৬ টা থেকে ১০ টা পর্যন্ত এবং সন্ধ্যা ৭ টা হতে রাত ১ টা পর্যন্ত ২০-২৫ টি টলী  দিয়ে বালু উত্তোলন ও নদীর বাঁধ কেটে  টলী দিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন বালু খেকো সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীগন । স্থানীয় ও  প্রভাবশালী ব্যাক্তি গন বালু ব্যবসায়ীদের দিয়ে বালু উত্তোলনের করে আসছে এর ফলে এলাকাবাসীরা নদীভাঙনে সহায়-সম্পদ হারানোর আশংকা করছেন। এমন কি বুড়িতিস্তা নদী ভাঙ্গনের ঝুঁকিতে পড়তে পারে  কয়েক টি গ্রাম বলে তাদের আশংকা। এলাকাবাসী জানিয়েছে, বালু ব্যবসায়ীরা প্রভাবশালী হওয়ার কারনে এই অবৈধ বালু উত্তোলন প্রতিরোধ করতে পারছে না। স্থানীয় প্রশাসন মাঝে-মধ্যে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বালু উত্তোলনের যন্ত্রপাতি পুড়িয়ে দিলেও বালু উত্তোলন থামছে না। কয়েকদিন পরেই আবার নতুনভাবে বালু উত্তোলন  শুরু হচ্ছে। আইন অনুযায়ী খোলা স্থান ও নদীরক্ষ থেকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বালু উত্তোলন শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বালু ব্যবসায়ীরা আইনকে অমান্য ও বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে  বালু উত্তোলন অব্যাহত রাখায় আবাদী জমি, ব্রীজ ও রাস্তাঘাট ও তিস্তা নদীর বাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে ।   স্থানীয় জনগণ নদী ও বাঁধ  রক্ষার জন্য  অতি  দ্রুত প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। যাতে করে বালু খেকো সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত  আইনানুগ  ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি বলেন অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের কোন সুযোগ নেই। কেউ অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন করলে তার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শেয়ার করুন: ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ এক্স টেলিগ্রাম

আপনার মতামত জানান

আপনার ই-মেইল প্রকাশ করা হবে না। মন্তব্য সম্পাদকীয় নীতিমালা অনুযায়ী প্রকাশিত হবে।